নিউইয়র্কে বাংলাদেশী প্রকৌশলী পেলেন সেরা প্রকল্প অ্যাওয়ার্ড
Sunday, 20 May 2012 06:25
বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০১১
নিউইয়র্ক সিটির মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হারলেম নদীর পাড় রক্ষায় অভিনব ডিজাইন উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রকৌশলী ড. সুফিয়ান এ খন্দকারের একটি প্রকল্প ২০১০ সালের সেরা প্রকল্পের অ্যাওয়ার্ড পেল। প্রকৌশলী ড. সুফিয়ান এ খন্দকার পানি বিশেষজ্ঞ হিসেবে এরই মধ্যে উত্তর আমেরিকায় ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেছেন। এবারের অ্যাওয়ার্ড পেলেন ম্যাকগ্রো হিল কন্সট্রাকশন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডের যৌথ উদ্যোগে বন্যা ও পরিবেশবিষয়ক প্রকল্পে অংশ নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীর প্রকল্প জমা হয় ওই অ্যাওয়ার্ডের জন্য। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের প্রত্যুষে বিশ্ববিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে ম্যারিয়ট মারক্যুইজ হোটেলের বলরুমে বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে ড. সুফিয়ানকে ওই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের ১৩৯ স্ট্রিট থেকে ১৪৫ স্ট্রিট পর্যন্ত ২ হাজার ফুটব্যাপী হারলেম নদীর পাড় সংরক্ষণের জন্যে ডিজাইন আহ্বান করা হয়েছিল। আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্সের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ড. সুফিয়ান এ খন্দকার ওই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার পরই সিঙ্গাপুরে চলে গেছেন পানিসম্পদ ও পরিবেশের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে। যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড ওয়াটার রিসোর্স ইনস্টিটিউট ও সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে ওই সম্মেলন হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ১৭ জনের ১০ জনই ভুয়া! এদিকে নিউইয়র্ক থেকে এনা আরও জানায়, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ১০ জনই ভুয়া বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক কমান্ডার আবদুল মুকিত চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০০৮ সালের ২৪ মে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা সম্মেলনে ১৭ সদস্যের যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের কমিটি গঠন করা হয়। সে সম্মেলনে তত্কালীন কেন্দ্রীয় কমান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আহাদ চৌধুরী শর্তসাপেক্ষে এক বছরের জন্য ওই কমিটির অনুমোদন দেন। সর্বশেষ ২০০০ সালে মুক্তি বার্তা অথবা ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের গ্যাজেটে নাম রয়েছে, তার প্রমাণ ৩ মাসের মধ্যে পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয় কমিটির সবাইকে। অন্যথায় তারা কমিটি থেকে বাদ পড়বেন বলেও ওই সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। এরপর চলে গেছে আড়াই বছর। ১৭ জনের মধ্যে ৬ জনের নাম মুক্তি বার্তায় পাওয়া গেছে। বাদল আকন্দ নামক একজন ইন্তেকাল করেছেন। অপর ১০ জনের নাম মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো তালিকায় পাওয়া যায়নি কিংবা সংশ্লিষ্টরাও কোনো প্রমাণ পেশ করতে পারেননি বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের কমিটির কমান্ডার হচ্ছেন নূরনবী এবং ডেপুটি কমান্ডার ডা. মাসুদুল হাসান ও শরাফ সরকার। এই ৩ জন বার্তা সংস্থা এনাকে বলেছেন, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদের অনুমতিক্রমেই তারা দায়িত্ব পালন করছেন।